কীবোর্ডের
ব্যবহার
To
Move To
|
Key
|
To
Move To
|
Key
|
এক অক্ষর
ডানে
|
→
|
এক অক্ষর
বামে
|
←
|
এক লাইন
নিচে
|
↓
|
এক লাইন
উপরে
|
↑
|
এক
ওয়ার্ড ডানে
|
Ctrl+
→
|
এক
ওয়ার্ড বামে
|
Ctrl+
←
|
লাইনের
শেষে
|
End
|
লাইনের
শুরুতে
|
Home
|
প্যারার
শুরুতে
|
Ctrl+
↑
|
প্যারার
শেষে
|
Ctrl+
↓
|
এক
পেইজের উপরে
|
Page
up
|
এক
পেইজের শেষে
|
Page
Down
|
ডকোমেন্টের
শুরুতে
|
Ctrl+Home
|
ডকোমেন্টের
শেষে
|
Ctrl+
End
|
টাইপ
প্র্যাকটিস
প্রোজেক্ট:
আপনার
কীবোর্ডটির
উপরে Left finger টি (F) লেটারের
উপর বাখুন Right finger টি (J) লেটারের উপর
রাখুন । চিত্র
টির দিকে লক্ষ্য
করুন Left finger রের দ্বিতীয়
আঙ্গুল পড়েছে (D) এর উপর,
তৃতীয় আঙ্গুল
পড়েছে (S) এর উপর
এবং চতুর্থ
আঙ্গুল টি
পড়েছে (A) এর উপর।
আবার Right finger
টির দ্বিতীয়
আঙ্গুল পড়েছে (K) এর উপর,
তৃতীয় আঙ্গুল
টি পড়েছে
(L) এর
উপর এবং
চতুর্থ
আঙ্গুল টি
পড়েছে (:) লেটারের
উপর।
Left finger এর আন্ডারে
যে লেটারগুলো
রয়েছে সেগুলো Left
finger দিয়ে
টাইপ করুন- (F+R,
F+T, F+G, F+V)
দ্বিতীয়
আঙ্গুলের
আন্ডারে যে
লেটারগুলো রয়েছে
সেগুলো
দ্বিতীয়
আঙ্গল দিয়ে
টাইপ করুন-(D+E,
D+C)
তৃতীয়
আঙ্গুলের
আন্ডারে যে
লেটারগুলো
রয়েছে
সেগুলো
তৃতীয় আঙ্গুল
দিয়ে টাইপ
করুন
(S+W, S+X)
চতুর্থ
আঙ্গুলের
আন্ডারে যে
লেটারগুলো
রয়েছে
সেগুলো
চতুর্থ আঙ্গল
দিয়ে টাইপ
করুন
(A+Q, A+Z)।
নোট: Caps
lock
জ্বালিয়ে
নিলে
লেটারগুলো বড়
হাতের হবে, Caps
lock বন্ধ
করে নিলে লেখা
ছোট হাতের
হবে।
Right finger এর
আন্ডারে যে
লেটারগুলো
রয়েছে সেগুলো
Right finger দিয়ে
টাইপ
করুন- J+Y, J+U, J+H, J+B
দ্বিতীয়
আঙ্গুলের
আন্ডারে যে
লেটারগুলো রয়েছে
সেগুলো
দ্বিতীয় আঙ্গুল
দিয়ে টাইপ
করুন (K+I,K+M)
তৃতীয় আঙ্গুলের
আন্ডারে যে
লেটারগুলো
রয়েছে
সেগুলো তৃতীয়
আঙ্গুল দিয়ে
টাইপ করুন (L+O,
L+P)
নোট: Caps
lock
জ্বালিয়ে
নিলে
লেটারগুলো বড়
হাতের হবে, Caps
lock বন্ধ
করে নিলে লেখা
ছোট হাতের
হবে। অথবা Shift চেপে ধরে
লিখলে লেখা বড়
হাতের হবে এবং
ছেড়ে দিলে
লেখা ছোট
হাতের হবে।
সমস্ত
অক্ষর
ফিঙ্গারের
আয়ত্বে চলে
আসলে নিচের
লাইনটি
কম্পোজ করুন-
A Quick Brown Fox Jump over The Lazy Dog
A Quick Brown Fox Jump over The Lazy Dog
এবার আমরা
দেখব
মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডের
পরিচিতি ও
ব্যবহার:
New:
New এর কাজ
হচ্ছে নতুন
ডকোমেন্টস
খুলে দেওয়া ।
কাজ করা
অবস্থায় যদি
আরও একটি নতুন
ডকোমেন্টস পেতে
চাই তবে ফাইল
মেনুতে গিয়ে New তে Click করে নতুন
ডকোমেন্টস open
করতে
হবে।
Open:
Open এর কাজ
হচ্ছে আপনার
কম্পিউটারর
মেমোরিতে স্টোর
করা যে
ফাইলগুলো
রয়েছে তা বের
করা। File+Open অথবা
কি-বোর্ড দিয়ে
(Ctrl+O)
চাপলে ডায়ালগ
বক্স আসবে।
Close & save:
Close এর কাজ
হচ্ছে মূলত
ওপেনকৃত
ফাইলটি বন্ধ
করে দেয়া এবং
এর কাজ হচ্ছে কোন
নতুন
ডকুমেন্টসকে
কম্পিউটারের
মমোরি তে
স্টোর করে
রাখা।
Save as: পুরোনো
ফাইলটি নষ্ট
না করে অনূরুপ
ভাবে আরেকটি
ফাইল তৈরী
করাই মূলত Save
as এর
কাজ। ধরুন
আপনি একটি
জানুয়ারী
মাসের ওয়ার্ক
সিট তৈরী
করেছেন এবং
একই ফরমেটে
কিছু এডিট করে
ফেব্রুয়ারী
মাসেও একটি ওয়ার্ক
সিট তৈরী করতে
হবে।
সেক্ষেত্রে
জানুয়ারী
মাসের ফাইলটি
ওপেন করে ফাইল
মেনুতে গিয়ে Save
as এ
ক্লিক করলে Save ডায়ালোগ
বক্সের মত একট
Save as
ডায়ালোগ বক্স
আসবে এবং Save এর মত একই
নিয়মে ফাইল
নেম অপশনে নাম
বসিয়ে Save ক্লিক
করলে
জানুয়ারী
মাসের ফাইলটি
নষ্ট না হয়েই
ফেব্রুয়ারী
মাসের জন্য
আরেকটি নতুন
ফরমেট তৈরী
হয়ে যাবে।
সেক্ষেত্রে
জানুয়ারী
মাসের মতো সময়
নষ্ট না করে
আরেকটি
নতুন ফরমেট
তৈরী হয়ে করতে
হবে।
শুধুমাত্র
ফেব্রুয়ারী
মাসের
প্রয়োজনীয়
তথ্য গুলো
ফরমেট অনুযায়ী
বসিয়ে দিলেই
চলবে। এভাবে
আপনি ইচ্ছা করেলে
Save as
করে ১২ মাসের
ওয়ার্ক সিটই
তৈরী করতে
পারবেন।
Security option:
security মানে
নিরাপত্তা,
আপনি যদি
আপনার
গুরুত্বপূর্ণ
ফাইলটি
অন্যকে না
দেখিয়ে লক করে
রেখে দিতে চান।
সেক্ষেত্রে Security
option
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন
করবে।
Page setup:
Page setup এর কাজ
হচ্ছে আপনি মূলত
কি ধরনের
পেপার নিয়ে
কাজ করবেন তা
ঠিক করা। ফাইল
মেনুতে গিয়ে Page
setup ক্লিক
করুন অথবা
কীবোর্ড থেকে
(Alt+F+U)
চাপুন ।
Print preview: আপনি যে
কাজ টি করলেন
সেটি
প্রিন্টের
পূর্বে দেখাই
হচ্ছে Print preview।
প্রিন্ট করার
পর আপনার
ডকুমেন্টস টি
কিভবে আসবে এবং
এটি ঠিক
কিভাবে আসবে
কিনা কোন
সমস্যা আছে কিনা
তা দেখার জন্য
মূলত Print preview। ফাইল
মেনুতে গিয়ে Print Preview ক্লিক করতে
হবে অথবা
কিবোর্ড থেকে
(Alt+F+V)
চাপুন ফাইলটি
আপনার সামনে Print
preview
অরস্থায়
দেখাবে।
Print: তথ্য আউট
পুট দেওয়ার
জন্য প্রিন্ট
অপশন ব্যবহার
করতে হয়। ফাইল
মেনুতে গিয়ে
প্রিন্ট অপশনে
ক্লিক করুন
অথবা কীবোর্ড
থেকে (Alt+F+P) অথবা (Ctrl+P) printডায়ালোগ
বক্স টি চলে আসবে।
Undo: Undo এর কাজ
হচ্ছে কোন
ওয়ার্ড মুছে
ফেলে সেটিকে
আবার ফিরিয়ে
আনা। ধরুন
আপনি একটি
ওয়ার্ড লিখলেন, The most beautiful is Almighty Allah এই
ওয়ার্ড টির
পরিবর্তে
আপনি লিখলেন,
Muslim is Complete code of life. এখন আপনার
মনে হল, আগের
ওয়ার্ড টিই
ভালো ছিল। সেটিই
আবার নতুন করে
লিখতে হয়তো
আবার ভুলেও যেতে
পারেন
সেক্ষেত্রে
আপনি Undo
কমান্ডের
মাধ্যমে
পূর্বের
ওয়ার্ড টি
ফিরিয়ে আনতে
পারেন। Undo
কমান্ড
ব্যবহারের
জন্য Edit Menu> Undo
Copy Paste: Copy Paste এর কাজ
হচ্ছে কোন বার বার
না লিখে সেটিকে
একাধিক বার
পেতে চাইলে Copy
Paste দিতে
হয়।
Select All: Select All আপনার
পেইজে
সম্পূর্ন
লেখা গুলো যদি
সিলেক্ট করতে
চান Edit>Select ক্লিক করুন।
অথবা কীবোর্ডের
সাহায্যে (Ctrl+A)
চাপুন।
Find: অনেক
গুলো পেইজের
মধ্য দিয়ে
প্রয়োজনীয়
ওয়ার্ডটি
খুজে বের করার
জন্য Find কমান্ডটি
ব্যবহার করতে
হয়। এজন্য
Edit
মেনুতে গিয়ে Find অপশনে
ক্লিক করলে
উল্লেখিত
ডায়ালোগ বক্স
টি আসবে। আপনি
যে ওয়ার্ড টি
খুজে বের করতে
চান, সেটি Find
What
ড্রপডাউন
বক্সে লিখে Find
Next এ
ক্লিক করলে
আপনার
প্রত্যাশিত
ওয়ার্ড টি চলে
আসবে।
Replace..: Replace মানে
পরিবর্তন
করা। ধরুন
আপনার একটি বই
কম্পোজ
করেছেন,
সেখানে একটি
ওয়ার্ড রয়েছে Desh নামে
প্রায় ১০০
পেইজে, এখন
সিদ্ধান্ত
হলো এ নামটি
পরিবর্তন হয়ে Muslim
দিতে
হবে। এটি লিখে
পরিবর্তন
করতে গেলে
আবার হয়তো
অনেক সময়ের
ব্যাপার।
Replace
কমান্ডের
মাধ্যমে এটি
খুব কম সময়ে
একটি মাত্র
কমান্ডের
মাধ্যমে ঠিক
করে নেয়া
সম্ভব। মেনুতে
গিয়ে Replace অপশনস টি
ব্যবহার
করুন। এবার
নিচে
উল্লেখিত চিত্র
টি লক্ষ্য
করুন। যেখানে
Find What লেখা
আছে সেখনে
Desh টি
লিখুন। আপনি
যে ওয়ার্ড টি
পরিবর্তন
করতে যাচ্ছেন
সেটি লিখতে
হবে। Replace With এ
আপনি যে নতুন
নামটি
সিলেক্ট
করেছেন, সেটি
লিখে Replace All
এ ক্লিক করুন।
এবারে আপনি
কয়টি ওয়ার্ড
পরিবর্তন
করেছেন টোটাল
রেজাল্ট নিয়ে
আপনাকে একটি রেজাল্ট
লিষ্ট একটি
ডায়ালোগ বক্স
দেখাবে।
Normal: M/S Word open করার
সাথে সাথে
আপনাকে যে
ব্ল্যাংক
ডকুমেন্টসটি
দিবে সেটি
মূলত প্রিন্ট
লে আউট
অবস্থায় থাকে
এটিকে যদি
আপনি নরমাল
অপশনটি
ব্যবহার করুন। (View>Normal) ক্লিক করুন
অথবা কী বোর্ড
থেকে (All>F>N) দিন নিচের
চিত্রটি লক্ষ্য
করুন পেপার টি
নরমাল
অবস্থায় চলে
আসছে।
বৃত্তের মাঝে
মাইনাস এবং
দাড়ানো যে
লাইনটি রয়েছে
এটিই নরমাল
অবস্থার
চিহ্ন, এবং এ
অবস্থায়
পেপার টি
থাকলে বুঝতে
হবে পেপারটি
নরমাল অবস্থায়
আছে।
Print layout: Print layout ফাইল টিকে নরমাল
অবস্থা থেকে
ফিরিয়ে আনার
জন্য Print layout কমান্ডটি
ব্যবহার করতে
হয়।(View+Print layout )
কীবোর্ড থেকে (Alt+P)
অথবা Ctrl+P চাপুন
নিচে
উল্লেখিত
চিত্রটি চলে
আসবে। লক্ষ্য
করুন
বৃত্তেরে
মাঝে কার্সর
জ্বলছে নিভছে
এবং চারদিকে
যে দাগটি
রয়েছে এটির
নাম হচ্ছে
টেক্স
বাউন্ডারী।
Header & Footer: কোন
লেখাকে
অটোমেটিক
সবগুলো
পেইজের উপরে
নিচে সেট আপ
করা। আপনারা
হয়তো দেখছেন
অনেক অনেক গাইড
বইয়ের প্রতি
পেইজে একই
লেখা সেটআপ
করা থাকে।
প্রতি পেইজে
এটি মূলত Header & Footer এর কাজ।
Zoom: Zoom অপশনের
সাহায্যে Document কে বড় ছোট
করে দেখানো
হয়।
Page
number:
অনেক বড়
ডকুমেন্টস এর
ক্ষেত্রে
যেমন ১০০-৫০০
পেইজের একটি
ডকুমেন্টস
প্রতি পেইজে
পেইজে নম্বর বসানো
সময়সাপেক্ষ
এবং
কষ্টসাধ্য
ব্যাপার। কিন্তু
Page number
কমান্ডটির
মাধ্যমে করা
খুবই সহজ। Insert>Page number অপশনে ক্লিক
করুন, নিচে
উল্লে কিত
ডায়ালোগ বক্স
আসবে। এবার
পজিশন অংশটি
সিলেক্ট করে
যদি উপরে
নম্বরে বসাতে চান
তাহলে Top of page( Header) এবং যদি
নিচে বসাতে
চান Bottom of page (footer)
সিলেক্ট
করুন। এবারে Alignment সিলেক্ট
করে নম্বর যদি
পেইজের
মাঝখানে দিতে চান
তবেসেন্টার
সিলেক্ট করুন
আর যদিবাম সাইডে
দিতে চান তবে
লেফট সিলেক্ট
করুন এবং যদি
ডান সাইডে
দিতে চান তবে
রাইট সিলেক্ট
করুন। ফন্ট এর
স্টাইল
পরিবর্তন করতে
চাইলে Format এ ক্লিক
করে ফন্ট চয়েজ
করুন। সবশেষে
ওকে দিয়ে বের
হয়ে
আসুন।প্রতি
পেইজে
অটোমেটিক
নম্বর বসে
যাবে।
Date
& Time: যেখানে সময়
এবং তারিখ সেট
করতে চান
সেখানে কার্সর
রেখে (Insert>Date & Time) এ ক্লিক করুন
অথবা কীবোডের
সাহায্যে (I>T) চাপুন
তাহলে ডেট এবং
টাইম এর
ডায়ালোগ
বক্সটি চলে
আসবে। এখান
থেকে টাইম
সিলেক্ট করে
ওকে করুন।
Symbol: অনেক
সময় আমরা অনেক
বইয়ে কিংবা
অনেক লেখার পিছনে
প্রতিক
(চিহ্ন) বা Symbol দেখতে
পাই। সেগুলো
মূলত Symbol অপশন থেকে
ইনসার্ট করা
হয়ে থাকে।
এগুলো কীবোর্ডে
পাওয়া যাবেনা,
ইনসার্ট
কমান্ডের
মাধ্যমে
ব্যবহার করা
হয়ে থাকে।
ডকোমেন্ট এ
যেখানে Symbol দরকার
সেখানে
কার্সর
রাখুন। (Insert> Symbol) এ ক্লিক
করুন অথবা
কীবোর্ড থেকে
(Alt>I>S) চাপুন Symbol ডায়ালোগ বক্সটি
চলে আসবে। যে
আইকোন দরকার
সেটি সিলেক্ট
করে Insert অপশনে ক্লিক
করুন।
Picture: ডকুমেন্টের
সৌন্দর্য্য
বৃদ্ধির জন্য
মূলত ডকুমেন্ট
পিকচার সেট
করা হয়।
Image
Setting: Clip Art এর মতো এম. এস.
ওয়ার্ডে Image Picture সেট করা হয়।
মেনু থেকে (Insert> Picture>From file) কমান্ড
দিন। Insert Picture ডায়ালোগ
বক্স আসবে।
Look in ড্রাপটাউন
বক্সে ক্লিক
করে
কম্পিউটারের
যেখানে ছবি
রাখা আছে
সেখান থেকে
ছবি সিলেক্ট
করুন। Thumbnails সিলেক্ট
করা থাকলে Thumbnails অবস্থায়
ছবিটি শো
করবে। যে
ছবিটি ব্রাউ
জিং করতে চান
সেটি সিলেক্ট করে
Insert
অপশনে ক্লিক
করুন।
Picture কে
জলছাপ তৈরী
করা: ডকুমেন্টের
একটি কালার
ছবি সংযোজন
করে Grascale এবং Washout কমান্ডের
মাধ্যমে এটি
কে সাদা কালো
অথবা জলছাপ
তৈরী করা
সম্ভব। মাউস
পয়েন্টার
দিয়ে পিকচারের
মাঝখানে
ক্লিক করুন।
পিকচার টি
সিলেক্ট
হওয়ার
সাথেসাথে
একটি পিকচার
টুলবার চলে
আসবে আর যদি
না আসে তবে
ভিউ মেনু থেকে
(View>Toolbar> Picture) এ ক্লিক
করুন তাহলে
টুলবার চলে
আসবে।
Picture কে Wrapping মুক্ত
করা : ছবি
ইনসার্ট করার
পর ছবিটিকে
বিভিন্ন দিকে
মুভ করার
জন্য, ছবিটি
থেকে Wrapping দূর করে
নিতে হবে।
Wrapping দূর
করার জন্য
পিকচার
টুলবারে গিয়ে Wrapping অপশনে
ক্লিক করুন। Wrapping ডায়ালোগ
বক্সটি চলে
আসবে।
ডায়ালোগ
বক্সটিতে Behind
Text কমান্ড
সিলেক্ট করা
হয়েছে। Behind Text
কমান্ডটি
মূলত পিকচার
টি Text
এর নিচে
অবস্থান করে। Tight অপশনটি
Text ছবির
চারিদিকে বসে
In front of text
অপশনটি Text ছবির
নিচে অবস্থান
করে। Top & Bottom অপশনটি
Text ছবির
উপরে নিচে
অবস্থান করে Through অপশনটি দুই
পার্শে
অবস্থান করে।
Picture
Move: Picture টি ইচ্ছে
মত মুভ করতে
চাইলে মাউস
পয়েন্টার টি
পিকচারের
মাঝখানে রেখে
ক্লিক করুন।
মাউস পয়েন্টার
টি
চতুর্ভূজমুখী
তীর চিহ্ন
আকার ধারন
করলে মাউস না
ছেড়ে
পিকচারটি
ড্রাগ করে
কাঙ্খিত জায়গায়
ছেড়ে দিন।
Insert
Word Art: লেখাকে
3-D Style করে
তৈরী করার
জন্য অথবা
বিভিন্ন
ডিজাইন করতে
চাইলে এম.এস
ওয়ার্ডের
ভিতর Insert Word Art একটি চমকার
অপশন।
Font: আমরা কোন
কম্পোজ করতে
গেলে অথবা
টাইপ করতে
গেলে যে অক্ষর/বর্ণমালা
গুলো ব্যবহার
করে থাকি
সেগুলো Font বলা হয়।
Font
সাধারণত
বিভিন্ন
স্টাইলের হয়ে
থাকে। যেমন: বাংলা
Font-এর
ভিতরে Suttony MJ, Taposhi,
Aganta, Tonushree
ইত্যাদি। আরো অনেক
ফন্ট রয়েছে
এবং English Font এর ভিতরে
রয়েছে, Time the roman, Tahoma,
University Roman LET, Vivaldi
এছাড়াও আরো
অনেক ফন্ট
রয়েছে।
Spelling
and Grammar: এম.এস
ওয়ার্ডের
ভিতর Spelling and Grammar একটি
সুন্দর
ফিচার। আমরা
টাইপ করতে
গিয়ে অনেক সময়
অনেক ভুল করে
থাকি বানান
ভুল, গ্রামার
ভুল, গ্রামারটিক্যাল
ভুল, আবার
দ্রুত টাইপ
করতে গিয়ে
অনেক ভুল
চোখেও ধরা
পড়েনা। এজন্য Word
এ
ডিফল্ট
প্রোগ্রাম
সেটিংস করা
আছে এবং এক লক্ষেরও
বেশি শব্দ সহ
একটি
ডিকশানারী
সংযোজন করা
আছে। এমন যদি
হয় যে
কম্পিউটার
আমাদের ভুল গুলো
ধরিয়ে দিবে
এবং সে নিজেই
ভুল গুলো ঠিক
করে দিবে। সেক্ষেত্রে
টাইপকারীদের
অনেকটা
সুবিধা এনে দিবে।
Spelling and Grammar
ঠিক সেই
কাজটিই করছে।
কোন ওয়ার্ড
ডিকশানারীর
শব্দের সাথে
না মিললে
সেটিকে ভুল
হিসেবে সনাক্ত
করে ভুল লেখা
শব্দটির সাথে
মিলিয়ে আরো অনেক
শব্দ দেখাবে।
সেখান থেকে
সঠিক টি বেছে
নিয়ে
পরিবর্তন করে
দিতে হবে।
একটি বিষয় মনে
রাখতে হবে
বানান পরীক্ষা
করার
ক্ষেত্রে
আমেরিকান
ডিকশানারী ব্যাবহার
হয়। সে জন্য
ব্রিটিশ কোন
সঠিক শব্দকেও
ভুল হিসেবে
ধরতে পারে।
যেমন- Labour কে ভুল
হিসেবে ধরে
Labor তৈরী
করার পরামর্শ
দিতে পারে।
এছাড়া Noun এর
ক্ষেত্রেও
যেমন নামটি সঠিক
হলেও এটি ভুল
ধরবে কারণ এটি
ডিকশানারীতে
এড করা নেই।
সেক্ষেত্রে
এড করার
ব্যবস্থা
আছে। একবার এড
করে দিলে
পরিবর্তে
Ruma লেখা
আর ভুল ধরবে
না।
Word
Count..: একটি
ডকুমেন্ট এর
ভিতরে কতগুলো
পেইজ রয়েছে। কতগুলো
ওয়ার্ড রয়েছে
কতগুলো
ওয়ার্ড রয়েছে,
কতগুলো
ক্যারেক্টার
রয়েছে, কতগুলো
প্যারাগ্রাফ
রয়েছে, কতগুলো
লাইন রয়েছে
ইত্যাদি
দেখার জন্য
মূলত ওয়ার্ড
কাউন্ট কমান্ডটি
ব্যবহার করতে
হয়। টুলস্
মেনুতে গিয়ে Word
Count টি
ব্যবহার করুন
অথবা কীবোর্ড
থেকে চাপুন তাহলে
Word Count
ডায়ালোগ বক্স
চলে আসবে।
Borders & Shading: Borders মূলত
লেখা অথবা
পেইজকে
সুন্দর করে
তোলে এ জন্য Borders
& Shading
বিভিন্ন
স্টাইলে পেইজ
বর্ডার রয়েছে
ইচ্ছে করলে
এখান থেকে
লেখা ও পেইজ
বর্ডার সেট
করতে পারেন।
Format >Border And Shading এ ক্লিক
করুন তাহলে
উল্লিখিত Borders
& Shading
ডায়ালোগ বক্স
চলে আসবে।
পেইজ Border সিলেক্ট
করুন এবঙ
বক্সের ভিতর
ক্লিক করুন।
স্টাইল থেকে
লাইন সিলেক্ট
করুন
প্রিভিওতে শো
করবে কালার
দেওয়ার জন্য Automatic
ড্রপডাউন
বক্সে ক্লিক
করুন কালার
লিষ্টে চলে
আসবে। কালার
চয়েজ করে ওকে
করুন পেইজের
পেইজের
চারপাশে
বর্ডার চলে
আসবে। বর্ডার
উঠিয়ে দিতে
চাইলে None এ ক্লিক
করে ওকে করুন
তাহলে পেইজ
বর্ডার উঠে যাবে।
Paragraph অথবা
কোন লেকার
বর্ডার দিতে
চাইলে Show Toolbar অপশনে
ক্লিক করে Tables
& Borders টুলবার
নিয়ে আসুন।
Change Case…: Change Case এম এস
ওয়ার্ড এর
মধ্যে আর একটি
গুরুত্বপূর্ণ
অপশন। অনেক
সময় আমরা
লিখতে গিয়ে
অনেক
ওয়ার্ডের
শুরুতে বড়
হাতের অক্ষর
দিতে ভুলে যাই
কিংবা পেইজের
সবগুলো লেখা
ছোট হাতের
রয়েছে সেগুলো
বড় হাতের করতে
হবে অথবা বড়
হাতের লেখা
গুলো কে ছোট
হাতের করতে
হবে। এক্ষেত্রে
Change Case
অপশনটি যদি
জানা না থাকে
সেক্ষেত্রে
অনেক সমস্যায়
পড়তে হয়। লেখা
গুলো আবার
নতুন করে
লিখতে হবে
সেক্ষেত্রে
আবার অনেক সময়ের
ব্যাপার।
Change Case ডায়ালোগ
বক্সটি
লক্ষ্য করুন
এখানে UPPERCASE রেডিও
বাটনে টিক
চিহ্ন বসানো
রয়েছে। আপনি
যে লেখাটি বা Paragraph
টি বড়
হাতের করতে
চান সেটি
সিলেক্ট করে UPPERCASE রেডিও
বাটনে টিক চিহ্ন
বসিয়ে ওকে
করুন সব গুলো
লেখা বড় হাতের
হয়ে যাবে।
Sentence Case আপনি যদি
ওয়ার্ডে
শুরুতে বড়
হাতের অক্ষর
দিতে চান
তাহলে Sentence Case রেডিও
বাটনে টিক
চিহ্ন বসিয়ে
ওকে চাপুন।
Title Case প্রতি
ওয়ার্ডে
শুরুতে যদি বড়
হাতের অক্ষর
দিতে চান
তাহলে Title Case রেডিও বাটনে
টিক চিহ্ন
বসিয়ে ওকে
করুন।
Lowercase সবগুলো লেখা
যদি ছোট হাতের
লিখতে চান তবে
Lowercase
রেডিও বাটনে
টিক চিহ্ন
বসিয়ে এক
করুন।
Table
ডকুমেন্টে
কাজ করতে গিয়ে
অনেক সময়
টেবিল এবং ছকের
প্রয়োজন হয়।
খুব সহজেই এম,
এস, ওয়ার্ডের ভিতরে
টেবিল, রো,
কলাম তৈরী করা
যায়। টেবিল
তৈরী করার
জন্য Table>Insert>Table কমান্ড
দিন অথবা
টেবিল টুলবার
থেকে ইনসার্ট টেবিল
ক্লিক করুন।
উল্লেখিত
ইনসার্ট
টেবিল ডায়ালোগ
বক্সটি চলে
আসবে।
এবারে Number of columns: এ 6 এ টাইপ
করুন অথবা
ঊর্ধ্বমূখী
এ্যারোতে
ক্লিক করে 6 আনুন।
Number of Rows এ 5 টাইপ
করুন অথবা
ঊর্ধ্বমূখী
এ্যারোতে
ক্লিক করে 5 আনুন।
শেষে ওকে
বাটনে ক্লিক
করুন। ৬ টি
কলাম ও ৫ টি রো
লাইন সহ একটি
টেবিল তৈরী
হবে-
টেবিল তৈরী
করার পর নতুন
এক বা একাধিক
রো বা লাইন
দরকার হতে
পারে।
Steps:
·
যে
Row এর
উপর নতুন Row তৈরী
করতে চান
সেখানে
কার্সর রাখুন
ধরুন ৩য় রো তে
কার্সর
রাখলেন।
·
মেনু
থেকে Table>Insert>Rows above এ ক্লিক
করুন অথবা
টুলবার থেকে Insert
Rows বাটনে
ক্লিক করুন।
·
৩
নং Row
তে নতুন একটি Row তৈরী হবে
এবং আগের ৩ নং Row কে
অবস্থান
করবে।
নতুন Column যোগ করা:
একই ভাবে
টেবিল তৈরী
করার পর নতুন
এক বা একাধিক Column প্রয়োজন
হতে পারে।
এবার নিচের
কমান্ড গুলো লক্ষ
করুন,
·
যে
Column এ
নতুন Column তৈরী করতে
চান সেই Column এ কার্সর
রাখুন।
মেনু
থেকে Table>Insert>Column to the Right এ ক্লিক
করুন । ২ নং
কলামে নতুন
একটি কলাম
তৈরী হবে এবং
২ নং কলামটি ৩
নং কলামে
অবস্থান
করবে।
Cell: Row এবং Column এর মতই টেবিল
তৈরীর পর Cell যোগ করার
প্রয়োজন হতে
পারে নিচের
কমান্ড গুলো
লক্ষ করুন।
Steps:
·
যেখানে
Cell যোগ
করতে চান সেই Cell এ কার্সর
রাখুন
·
মেনু থেকে Table>Insert>Cell
কমান্ড
দিন InsertCell
ডায়ালগ
বক্স আসবে এবং
Shift Cells down সিলেক্ট
থাকবে।
·
Ok করুন।নতুন
একটি Cell তৈরি হবে এবং
অবস্হিত Row
এর
নিচে একটি
নতুন Cell দেখা
যাবে।অর্থা?
কার্সর
অবস্হিত Cell এ নতুন Cell
যোগ
হয়েছে।অন্যান্য
Cell গুলো
১ টা করে Row (line) নিচে
নেমে গেছে।
Delet cell ,Row & colum সেল
,রো,মুছে ফেলা
টেবিল
তৈরি করার পর
কোন
সেল,রো,এবং
কলাম অতিরিক্ত
হয়ে গেলে
এগুলো মুছে ফেলার
দরকার হতে
পারে।এজন্য
যে Cell মুছতে
চান সেই cell অথবা Row,colum
এর উপর
cell এ
কার্সর
রাখুন।
মেনু
থেকে Table>Delet>Cell সিলেক্ট
করুন।
এখন যে
অপশনটি মুছতে
চান সেটি
সিলক্টে করে
ওকে করুন।
Table এর
cell-কে
Marge
বা সংযুক্ত
করা
যে cell
গুলোকে
সংযুক্ত করতে
চান সেগুলোকে Block/Select
করুন।মাউস
ড্রাগ করে
অথবা কী-বোর্ড
থেকে shift+Arrow কী প্রেস
করুন।
মেনু
থেকে Table>Marge Cells কমান্ড
দিন।
লক্ষ
করুন যে cell গুলো block/select
করা
ছিল।সেগুলো Marge হয়ে একটি
সেলে পরিনত
হয়েছে।
Table এর
cell-কে
split
বা বিভক্ত করা
যে cell
গুলোকে
split বা
বিভক্ত করতে
চান সেগুলোকে Block/Select
করুন।মাউস
ড্রাগ করে
অথবা কী-বোর্ড
থেকে shift+Arrow কী প্রেস
করুন।
মেনু
থেকে Table>split Cells কমান্ড
দিন।split cells ডায়ালগ বক্স
আসবে।এখান
থেকে
প্রয়োজন
অনুযায়ী columns
& Rows
সিলেক্ট করে ok
করুন।লক্ষ
করুন block করা অংশটুকু
২ টি columns & ২ টি row তে বিভক্ত
হয়েছে।
Colum এবং Row
কে
ছোট বড় করা।
যে
কলাম কে ছোট
বড় করতে চান
তার ডানের খাড়া
লাইনরে উপর
মাউস পয়েন্টার
রাখুন। পয়েন্টারটি
ডানে বামে তীর
চিহৃ সহ
দ্বিমুখী তীর
চিেহৃ পরিণত
হবে।লাইনটি
ডানে অথবা
বামে ড্রাগ
করে পয়েন্টার
ছেড়ে দিন।
কলামের
প্রহ্সতা
বেশী অথবা কম
হবে।
----বাংলা
কী-বোর্ড এর
ব্যাবহার----
আসুন
আমরা বাংলা
লিখে ধারণা
নেই।১ম এ কী-বোর্ড
থেকে (Ctrl +Alt) বাটন এক
সংঙ্গে চেপে রেখে
B
বোতামে চাপ
দিতে
হবে।অথবা
কী-বোর্ড এর আইকন
এ মাউস
পয়েন্টার
দিয়ে ক্লিক
করতে হবে।অভ্র
ব্যাবহার
করলে F12 অথবা এ মাউস
পয়েন্টার
অভ্র বারে
ক্লিক করে unibjioy
নিতে
হবে।
·
টুলবাররে
Times New Roman লেখার
পাশে নিম্নগামী
ড্রপডাউনে
ক্লিক করুন।Pull
down মেনু
আসবে।
·
এখান
থেকে বাংলা
ফন্ট sutonnyMJ সিলেক্ট
করুন।
·
এখন
যদি কী-বোর্ড
থেকে Q বাটন চাপলে ঙ
লেখা হয় তবে
বুঝতে হবে
আপনার কী-বোর্ডটি
বাংলায়
রূপান্তরিত
হয়েছে।
এবারে লিখুন:
আমার সোনার
বাংলা আমি
তোমায় ভালবাসি
আমার= (Shift+F=অ, F=া, M=ম, F=া, v=র)
সোনার=
(C=ে, N=স, F=া, B=ন, V=র)
বাংলা=
(H=ব, F=া, Shift+Q=ং, shift+vল, F=া)
আমি= (shift+F=অ, F=া, D=ি, M=ম)
তোমায়=
(C=ে M=ম, F=া shift+w=য়)
ভালো= (shift+H=ভ, F=া, shift+v=ল, X=ো)
বাসি=(H=ব, F=া, D=ি, N=স)
এক
অক্ষরের সাথে
অন্য অক্ষরের
যুক্ত করার
জন্য G প্রেস করতে
হবে।
যেমন=
ক্ত=J+G+K
ব্ব=H+G+H
ই, উ, ঋ, ও,
এ ইত্যাদি
অক্ষরের জন্য প্রথমে
G প্রেস
করে নিতে হয়।
G+D=ই,
G+S=উ, G+A=ঋ, G+X=ও, G+C=এ,
ইত্যাদি।
ঈ, ঊ, ঔ, ঐ
ইত্যাদি
অক্ষরের জন্য
প্রথমে G+shift প্রেস করে
নিতে হয়।
G+shift+D=ঈ, G+shift+S=ঊ, G+shift+X=ঔ, G+shift+C=ঐ,
বাংলা
টাইপের জন্য
নিচের অক্ষর
গুলো টাইপ
করি।
ক্ব=J,G,H
ক্র=J,Z
ক্ষ=J,G,(SHIFT),N
ক্ষ্ণ=J,G,(SHIFT)N,G(SHIFT)B
গ্ধ=O,G,(SHIFT),L
গ্রু=O,Z,S
জ্জ্ব=U,G,U,G,H
ঞ্ঝ=(SHIFT)I,G(SHIFT)U
ত্ত্ব=K,G,K,G,H
ন্ট্র=B,G,T,Z
ব্জ=H,G,U
ল্ফ=(SHIFT),V,G(SHIFT)R
শ্ম=(SHIFT)M,G,M
শ্র্র্রূ=(SHIFT)M,Z(SHIFT)S
ষ্ক্র=(SHIFT)N,G,J,Z
স্খ=N,G(SHIFT)J
হৃ=I,A
ক্ত্র=J,G,K,Z
ক্ম=J,G,M
ক্স=J,G,N
ক্ষ্ম=J,G(SHIFT)N,G,M
গ্ম=O,G,M
ঘ্ন=(SHIFT)O,G,B
জ্ঝ=U,G,J,G(SHIFT)U
ঞ্ছ=(SHIFT)I,G(SHIFT)Y
ট্ম=T,G,M
ণ্ড্র=(SHIFT)B,G,E,Z
দ্রু=L,Z,S
ধ্র=(SHIFT)L,Z
ম্ফ=M,G(SHIFT)R
শ্ল=(SHIFT)M,G(SHIFT)V
শ্রু=(SHIFT)M,Z,S
ষ্ফ=(SHIFT)N,G(SHIFT)R
ষ্ম=(SHIFT)N,G,M
ক্ষ=J,G(SHIFT)N
জ্ধ=U,G(SHIFT)L
দ্ধ=L,G(SHIFT)L
ঙ্গ=Q,G,O
ম্ম=M,G,M
হ্ম=I,G,M
শ্ব=(SHIFT)M,G,H
ষ্ণ=(SHIFT)N,G(SHIFT)B
JBD
IT HOME CENTER
01745615770/01737930689




















No comments:
Post a Comment
Thank you