Tuesday, April 24, 2012

How to learn Ms Word/ আসুন আমরা খুব সহজে MS Word শিখি

কীবোর্ডের ব্যবহার
To Move To
Key
To Move To
Key
এক অক্ষর ডানে
এক অক্ষর বামে
এক লাইন নিচে
এক লাইন উপরে
এক ওয়ার্ড ডানে
Ctrl+ →
এক ওয়ার্ড বামে
Ctrl+ ←
লাইনের শেষে
End
লাইনের শুরুতে
Home
প্যারার শুরুতে
Ctrl+ ↑
প্যারার শেষে
Ctrl+ ↓
এক পেইজের উপরে
Page up
এক পেইজের শেষে
Page Down
ডকোমেন্টের শুরুতে
Ctrl+Home
ডকোমেন্টের শেষে
Ctrl+ End
টাইপ প্র্যাকটিস প্রোজেক্ট:
আপনার কীবোর্ডটির উপরে Left finger টি  (F) লেটারের উপর বাখুন  Right finger টি (J) লেটারের উপর রাখুন । চিত্র টির দিকে লক্ষ্য করুন Left finger রের দ্বিতীয় আঙ্গুল পড়েছে (D) এর উপর, তৃতীয় আঙ্গুল পড়েছে (S) এর উপর এবং চতুর্থ আঙ্গুল টি পড়েছে (A) এর উপর। আবার Right finger টির দ্বিতীয় আঙ্গুল পড়েছে (K) এর উপর, তৃতীয় আঙ্গুল টি পড়েছে (L) এর উপর এবং চতুর্থ আঙ্গুল টি পড়েছে (:) লেটারের উপর।
Left finger এর আন্ডারে যে লেটারগুলো রয়েছে সেগুলো Left finger দিয়ে টাইপ করুন- (F+R, F+T, F+G, F+V)
দ্বিতীয় আঙ্গুলের আন্ডারে যে লেটারগুলো রয়েছে সেগুলো দ্বিতীয় আঙ্গল দিয়ে টাইপ করুন-(D+E, D+C)
তৃতীয় আঙ্গুলের আন্ডারে যে লেটারগুলো রয়েছে সেগুলো তৃতীয় আঙ্গুল দিয়ে টাইপ করুন
(S+W, S+X)
চতুর্থ আঙ্গুলের আন্ডারে যে লেটারগুলো রয়েছে সেগুলো চতুর্থ আঙ্গল দিয়ে টাইপ করুন
(A+Q, A+Z)।
নোট: Caps lock জ্বালিয়ে নিলে লেটারগুলো বড় হাতের হবে, Caps lock বন্ধ করে নিলে লেখা ছোট হাতের হবে।
Right finger এর আন্ডারে যে লেটারগুলো রয়েছে সেগুলো Right finger দিয়ে টাইপ
করুন- J+Y, J+U, J+H, J+B
দ্বিতীয় আঙ্গুলের আন্ডারে যে লেটারগুলো রয়েছে সেগুলো দ্বিতীয় আঙ্গুল দিয়ে টাইপ করুন (K+I,K+M)
তৃতীয় আঙ্গুলের আন্ডারে যে লেটারগুলো রয়েছে সেগুলো তৃতীয় আঙ্গুল দিয়ে টাইপ করুন (L+O, L+P)
নোট: Caps lock জ্বালিয়ে নিলে লেটারগুলো বড় হাতের হবে, Caps lock বন্ধ করে নিলে লেখা ছোট হাতের হবে। অথবা Shift চেপে ধরে লিখলে লেখা বড় হাতের হবে এবং ছেড়ে দিলে লেখা ছোট হাতের হবে।
সমস্ত অক্ষর ফিঙ্গারের আয়ত্বে চলে আসলে নিচের লাইনটি কম্পোজ করুন-
A Quick Brown Fox Jump over The Lazy Dog
A Quick Brown Fox Jump over The Lazy Dog
এবার আমরা দেখব মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের পরিচিতি ও ব্যবহার:
New: New এর কাজ হচ্ছে নতুন ডকোমেন্টস খুলে দেওয়া । কাজ করা অবস্থায় যদি আরও একটি নতুন ডকোমেন্টস পেতে চাই তবে ফাইল মেনুতে গিয়ে New তে Click করে নতুন ডকোমেন্টস open করতে হবে।


Open: Open এর কাজ হচ্ছে আপনার কম্পিউটারর মেমোরিতে স্টোর করা যে ফাইলগুলো রয়েছে তা বের করা। File+Open অথবা কি-বোর্ড দিয়ে (Ctrl+O) চাপলে ডায়ালগ বক্স আসবে।
Close & save: Close এর কাজ হচ্ছে মূলত ওপেনকৃত ফাইলটি বন্ধ করে দেয়া এবং এর কাজ হচ্ছে কোন নতুন ডকুমেন্টসকে কম্পিউটারের মমোরি তে স্টোর করে রাখা।

Save as: পুরোনো ফাইলটি নষ্ট না করে অনূরুপ ভাবে আরেকটি ফাইল তৈরী করাই মূলত Save as এর কাজ। ধরুন আপনি একটি জানুয়ারী মাসের ওয়ার্ক সিট তৈরী করেছেন এবং একই ফরমেটে কিছু এডিট করে ফেব্রুয়ারী মাসেও একটি ওয়ার্ক সিট তৈরী করতে হবে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারী মাসের ফাইলটি ওপেন করে ফাইল মেনুতে গিয়ে Save as এ ক্লিক করলে Save ডায়ালোগ বক্সের মত একট Save as ডায়ালোগ বক্স আসবে এবং Save এর মত একই নিয়মে ফাইল নেম অপশনে নাম বসিয়ে Save ক্লিক করলে জানুয়ারী মাসের ফাইলটি নষ্ট না হয়েই ফেব্রুয়ারী মাসের জন্য আরেকটি নতুন ফরমেট তৈরী হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারী মাসের মতো সময় নষ্ট না করে আরেকটি  নতুন ফরমেট তৈরী হয়ে করতে হবে। শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারী মাসের  প্রয়োজনীয় তথ্য গুলো ফরমেট অনুযায়ী বসিয়ে দিলেই চলবে। এভাবে আপনি ইচ্ছা করেলে Save as করে ১২ মাসের ওয়ার্ক সিটই তৈরী করতে পারবেন।
Security option: security মানে নিরাপত্তা, আপনি যদি আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটি অন্যকে না দেখিয়ে লক করে রেখে দিতে চান। সেক্ষেত্রে Security option গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
Page setup: Page setup এর কাজ হচ্ছে আপনি মূলত কি ধরনের পেপার নিয়ে কাজ করবেন তা ঠিক করা। ফাইল মেনুতে গিয়ে Page setup ক্লিক করুন অথবা কীবোর্ড থেকে (Alt+F+U) চাপুন ।

Print preview: আপনি যে কাজ টি করলেন সেটি প্রিন্টের পূর্বে দেখাই হচ্ছে Print preview। প্রিন্ট করার পর আপনার ডকুমেন্টস টি কিভবে আসবে এবং এটি ঠিক কিভাবে আসবে কিনা কোন সমস্যা আছে কিনা তা দেখার জন্য মূলত Print preview। ফাইল মেনুতে গিয়ে Print Preview ক্লিক করতে হবে অথবা কিবোর্ড থেকে (Alt+F+V) চাপুন ফাইলটি আপনার সামনে Print preview অরস্থায় দেখাবে।
Print: তথ্য আউট পুট দেওয়ার জন্য প্রিন্ট অপশন ব্যবহার করতে হয়। ফাইল মেনুতে গিয়ে প্রিন্ট অপশনে ক্লিক করুন অথবা কীবোর্ড থেকে (Alt+F+P) অথবা (Ctrl+P) printডায়ালোগ বক্স টি চলে আসবে।

Undo: Undo এর কাজ হচ্ছে কোন ওয়ার্ড মুছে ফেলে সেটিকে আবার ফিরিয়ে আনা। ধরুন আপনি একটি ওয়ার্ড লিখলেন‌‌, The most beautiful is Almighty Allah এই ওয়ার্ড টির পরিবর্তে আপনি লিখলেন, Muslim is Complete code of life. এখন আপনার মনে হল, আগের ওয়ার্ড টিই ভালো ছিল। সেটিই আবার নতুন করে লিখতে হয়তো আবার ভুলেও যেতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনি Undo কমান্ডের মাধ্যমে পূর্বের ওয়ার্ড টি ফিরিয়ে আনতে পারেন। Undo কমান্ড ব্যবহারের জন্য Edit Menu> Undo
Copy Paste: Copy Paste এর কাজ হচ্ছে কোন  বার বার না লিখে সেটিকে একাধিক বার পেতে চাইলে Copy Paste দিতে হয়।
Select All: Select All আপনার পেইজে সম্পূর্ন লেখা গুলো যদি সিলেক্ট করতে চান Edit>Select ক্লিক করুন। অথবা কীবোর্ডের সাহায্যে (Ctrl+A) চাপুন।
Find: অনেক গুলো পেইজের মধ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় ওয়ার্ডটি খুজে বের করার জন্য Find কমান্ডটি ব্যবহার করতে হয়। এজন্য Edit মেনুতে গিয়ে Find অপশনে ক্লিক করলে উল্লেখিত ডায়ালোগ বক্স টি আসবে। আপনি যে ওয়ার্ড টি খুজে বের করতে চান, সেটি Find What ড্রপডাউন বক্সে লিখে Find Next এ ক্লিক করলে আপনার প্রত্যাশিত ওয়ার্ড টি চলে আসবে।
Replace..: Replace মানে পরিবর্তন করা। ধরুন আপনার একটি বই কম্পোজ করেছেন, সেখানে একটি ওয়ার্ড রয়েছে Desh নামে প্রায় ১০০ পেইজে, এখন সিদ্ধান্ত হলো এ নামটি পরিবর্তন হয়ে Muslim দিতে হবে। এটি লিখে পরিবর্তন করতে গেলে আবার হয়তো অনেক সময়ের ব্যাপার। Replace কমান্ডের মাধ্যমে এটি খুব কম সময়ে একটি মাত্র কমান্ডের মাধ্যমে ঠিক করে নেয়া সম্ভব। মেনুতে গিয়ে Replace অপশনস টি ব্যবহার করুন। এবার নিচে উল্লেখিত চিত্র টি লক্ষ্য করুন। যেখানে Find What লেখা আছে সেখনে Desh টি লিখুন। আপনি যে ওয়ার্ড টি পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন সেটি লিখতে হবে। Replace With এ আপনি যে নতুন নামটি সিলেক্ট করেছেন, সেটি লিখে Replace All এ ক্লিক করুন। এবারে আপনি কয়টি ওয়ার্ড পরিবর্তন করেছেন টোটাল রেজাল্ট নিয়ে আপনাকে একটি রেজাল্ট লিষ্ট একটি ডায়ালোগ বক্স দেখাবে।
Normal: M/S Word open করার সাথে সাথে আপনাকে যে ব্ল্যাংক ডকুমেন্টসটি দিবে সেটি মূলত প্রিন্ট লে আউট অবস্থায় থাকে এটিকে যদি আপনি নরমাল অপশনটি ব্যবহার করুন। (View>Normal) ক্লিক করুন অথবা কী বোর্ড থেকে (All>F>N) দিন নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন পেপার টি নরমাল অবস্থায় চলে আসছে। বৃত্তের মাঝে মাইনাস এবং দাড়ানো যে লাইনটি রয়েছে এটিই নরমাল অবস্থার চিহ্ন, এবং এ অবস্থায় পেপার টি থাকলে বুঝতে হবে পেপারটি নরমাল অবস্থায় আছে।
Print layout:  Print layout ফাইল টিকে নরমাল অবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য Print layout কমান্ডটি ব্যবহার করতে হয়।(View+Print layout ) কীবোর্ড থেকে (Alt+P) অথবা Ctrl+P  চাপুন নিচে উল্লেখিত চিত্রটি চলে আসবে। লক্ষ্য করুন বৃত্তেরে মাঝে কার্সর জ্বলছে নিভছে এবং চারদিকে যে দাগটি রয়েছে এটির নাম হচ্ছে টেক্স বাউন্ডারী।
Header & Footer:  কোন লেখাকে অটোমেটিক সবগুলো পেইজের উপরে নিচে সেট আপ করা। আপনারা হয়তো দেখছেন অনেক অনেক গাইড বইয়ের প্রতি পেইজে একই লেখা সেটআপ করা থাকে। প্রতি পেইজে এটি মূলত Header & Footer এর কাজ।

Zoom: Zoom অপশনের সাহায্যে Document কে বড় ছোট করে দেখানো হয়।
Page number: অনেক বড় ডকুমেন্টস এর ক্ষেত্রে যেমন ১০০-৫০০ পেইজের একটি ডকুমেন্টস প্রতি পেইজে পেইজে নম্বর বসানো সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু Page number কমান্ডটির মাধ্যমে করা খুবই সহজ।  Insert>Page number অপশনে ক্লিক করুন, নিচে উল্লে কিত ডায়ালোগ বক্স আসবে। এবার পজিশন অংশটি সিলেক্ট করে যদি উপরে নম্বরে বসাতে চান তাহলে Top of page( Header) এবং যদি নিচে বসাতে চান Bottom of page (footer) সিলেক্ট করুন। এবারে Alignment সিলেক্ট করে নম্বর যদি পেইজের মাঝখানে দিতে চান তবেসেন্টার সিলেক্ট করুন আর যদিবাম সাইডে দিতে চান তবে লেফট সিলেক্ট করুন এবং যদি ডান সাইডে দিতে চান তবে রাইট সিলেক্ট করুন। ফন্ট এর স্টাইল পরিবর্তন করতে চাইলে Format এ ক্লিক করে ফন্ট চয়েজ করুন। সবশেষে ওকে দিয়ে বের হয়ে আসুন।প্রতি পেইজে অটোমেটিক নম্বর বসে যাবে।
Date & Time:  যেখানে সময় এবং তারিখ সেট করতে চান সেখানে কার্সর রেখে (Insert>Date & Time) এ ক্লিক করুন অথবা কীবোডের সাহায্যে (I>T) চাপুন তাহলে ডেট এবং টাইম এর ডায়ালোগ বক্সটি চলে আসবে। এখান থেকে টাইম সিলেক্ট করে ওকে করুন।
Symbol:  অনেক সময় আমরা অনেক বইয়ে কিংবা অনেক লেখার পিছনে প্রতিক (চিহ্ন) বা  Symbol দেখতে পাই। সেগুলো মূলত Symbol অপশন থেকে ইনসার্ট করা হয়ে থাকে। এগুলো কীবোর্ডে পাওয়া যাবেনা, ইনসার্ট কমান্ডের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ডকোমেন্ট এ যেখানে Symbol দরকার সেখানে কার্সর রাখুন। (Insert> Symbol) এ ক্লিক করুন অথবা কীবোর্ড থেকে (Alt>I>S) চাপুন Symbol ডায়ালোগ বক্সটি চলে আসবে। যে আইকোন দরকার সেটি সিলেক্ট করে Insert অপশনে ক্লিক করুন।
Picture: ডকুমেন্টের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য মূলত ডকুমেন্ট পিকচার সেট করা হয়।
Image Setting:  Clip Art এর মতো এম. এস. ওয়ার্ডে Image Picture সেট করা হয়। মেনু থেকে (Insert> Picture>From file) কমান্ড দিন। Insert Picture ডায়ালোগ বক্স আসবে। Look in ড্রাপটাউন বক্সে ক্লিক করে কম্পিউটারের যেখানে ছবি রাখা আছে সেখান থেকে ছবি সিলেক্ট করুন। Thumbnails সিলেক্ট করা থাকলে Thumbnails অবস্থায় ছবিটি শো করবে। যে ছবিটি ব্রাউ জিং করতে চান সেটি সিলেক্ট করে Insert অপশনে ক্লিক করুন।
Picture কে জলছাপ তৈরী করা: ডকুমেন্টের একটি কালার ছবি সংযোজন করে Grascale এবং Washout কমান্ডের মাধ্যমে এটি কে সাদা কালো অথবা জলছাপ তৈরী করা সম্ভব। মাউস পয়েন্টার দিয়ে পিকচারের মাঝখানে ক্লিক করুন। পিকচার টি সিলেক্ট হওয়ার সাথেসাথে একটি পিকচার টুলবার চলে আসবে আর যদি না আসে তবে ভিউ মেনু থেকে (View>Toolbar> Picture) এ ক্লিক করুন তাহলে টুলবার চলে আসবে।
Picture কে Wrapping মুক্ত করা :  ছবি ইনসার্ট করার পর ছবিটিকে বিভিন্ন দিকে মুভ করার জন্য, ছবিটি থেকে Wrapping দূর করে নিতে হবে। Wrapping দূর করার জন্য পিকচার টুলবারে গিয়ে Wrapping অপশনে ক্লিক করুন। Wrapping ডায়ালোগ বক্সটি চলে আসবে। ডায়ালোগ বক্সটিতে Behind Text কমান্ড সিলেক্ট করা হয়েছে। Behind Text কমান্ডটি মূলত পিকচার টি Text এর নিচে অবস্থান করে। Tight অপশনটি Text ছবির চারিদিকে বসে In front of text অপশনটি Text ছবির নিচে অবস্থান করে। Top & Bottom অপশনটি Text ছবির উপরে নিচে অবস্থান করে  Through অপশনটি দুই পার্শে অবস্থান করে।
Picture Move:  Picture টি ইচ্ছে মত মুভ করতে চাইলে মাউস পয়েন্টার টি পিকচারের মাঝখানে রেখে ক্লিক করুন। মাউস পয়েন্টার টি চতুর্ভূজমুখী তীর চিহ্ন আকার ধারন করলে মাউস না ছেড়ে পিকচারটি ড্রাগ করে কাঙ্খিত জায়গায় ছেড়ে দিন।
Insert Word Art:  লেখাকে 3-D Style করে তৈরী করার জন্য অথবা বিভিন্ন ডিজাইন করতে চাইলে এম.এস ওয়ার্ডের ভিতর Insert Word Art একটি চমকার অপশন।
Font: আমরা কোন কম্পোজ করতে গেলে অথবা টাইপ করতে গেলে যে অক্ষর/বর্ণমালা গুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলো Font বলা হয়। Font সাধারণত বিভিন্ন স্টাইলের হয়ে থাকে। যেমন: বাংলা Font-এর ভিতরে Suttony MJ, Taposhi, Aganta, Tonushree ইত্যাদি। আরো অনেক ফন্ট রয়েছে এবং English Font এর ভিতরে রয়েছে, Time the roman, Tahoma, University Roman LET, Vivaldi এছাড়াও আরো অনেক ফন্ট রয়েছে।

Spelling and Grammar: এম.এস ওয়ার্ডের ভিতর Spelling and Grammar একটি সুন্দর ফিচার। আমরা টাইপ করতে গিয়ে অনেক সময় অনেক ভুল করে থাকি বানান ভুল, গ্রামার ভুল, গ্রামারটিক্যাল ভুল, আবার দ্রুত টাইপ করতে গিয়ে অনেক ভুল চোখেও ধরা পড়েনা। এজন্য Word এ ডিফল্ট প্রোগ্রাম সেটিংস করা আছে এবং এক লক্ষেরও বেশি শব্দ সহ একটি ডিকশানারী সংযোজন করা আছে। এমন যদি হয় যে কম্পিউটার আমাদের ভুল গুলো ধরিয়ে দিবে এবং সে নিজেই ভুল গুলো ঠিক করে দিবে। সেক্ষেত্রে টাইপকারীদের অনেকটা সুবিধা এনে দিবে। Spelling and Grammar ঠিক সেই কাজটিই করছে। কোন ওয়ার্ড ডিকশানারীর শব্দের সাথে না মিললে সেটিকে ভুল হিসেবে সনাক্ত করে ভুল লেখা শব্দটির সাথে মিলিয়ে আরো অনেক শব্দ দেখাবে। সেখান থেকে সঠিক টি বেছে নিয়ে পরিবর্তন করে দিতে হবে। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে বানান পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে আমেরিকান ডিকশানারী ব্যাবহার হয়। সে জন্য ব্রিটিশ কোন সঠিক শব্দকেও ভুল হিসেবে ধরতে পারে। যেমন- Labour কে ভুল হিসেবে ধরে Labor তৈরী করার পরামর্শ দিতে পারে। এছাড়া Noun এর ক্ষেত্রেও যেমন নামটি সঠিক হলেও এটি ভুল ধরবে কারণ এটি ডিকশানারীতে এড করা নেই। সেক্ষেত্রে এড করার ব্যবস্থা আছে। একবার এড করে দিলে পরিবর্তে Ruma লেখা আর ভুল ধরবে না।
Word Count..:  একটি ডকুমেন্ট এর ভিতরে কতগুলো পেইজ রয়েছে। কতগুলো ওয়ার্ড রয়েছে কতগুলো ওয়ার্ড রয়েছে, কতগুলো ক্যারেক্টার রয়েছে, কতগুলো প্যারাগ্রাফ রয়েছে, কতগুলো লাইন রয়েছে ইত্যাদি দেখার জন্য মূলত ওয়ার্ড কাউন্ট কমান্ডটি ব্যবহার করতে হয়। টুলস্‌ মেনুতে গিয়ে Word Count টি ব্যবহার করুন অথবা কীবোর্ড থেকে চাপুন তাহলে Word Count ডায়ালোগ বক্স চলে আসবে।
Borders & Shading: Borders মূলত লেখা অথবা পেইজকে সুন্দর করে তোলে এ জন্য Borders & Shading বিভিন্ন স্টাইলে পেইজ বর্ডার রয়েছে ইচ্ছে করলে এখান থেকে লেখা ও পেইজ বর্ডার সেট করতে পারেন।
Format >Border And Shading এ ক্লিক করুন তাহলে উল্লিখিত Borders & Shading ডায়ালোগ বক্স চলে আসবে। পেইজ Border সিলেক্ট করুন এবঙ বক্সের ভিতর ক্লিক করুন। স্টাইল থেকে লাইন সিলেক্ট করুন প্রিভিওতে শো করবে কালার দেওয়ার জন্য Automatic ড্রপডাউন বক্সে ক্লিক করুন কালার লিষ্টে চলে আসবে। কালার চয়েজ করে ওকে করুন পেইজের পেইজের চারপাশে বর্ডার চলে আসবে। বর্ডার উঠিয়ে দিতে চাইলে None এ ক্লিক করে ওকে করুন তাহলে পেইজ বর্ডার উঠে যাবে। Paragraph অথবা কোন লেকার বর্ডার দিতে চাইলে Show Toolbar অপশনে ক্লিক করে Tables & Borders টুলবার নিয়ে আসুন।
Change Case…: Change Case এম এস ওয়ার্ড এর মধ্যে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অপশন। অনেক সময় আমরা লিখতে গিয়ে অনেক ওয়ার্ডের শুরুতে বড় হাতের অক্ষর দিতে ভুলে যাই কিংবা পেইজের সবগুলো লেখা ছোট হাতের রয়েছে সেগুলো বড় হাতের করতে হবে অথবা বড় হাতের লেখা গুলো কে ছোট হাতের করতে হবে। এক্ষেত্রে Change Case অপশনটি যদি জানা না থাকে সেক্ষেত্রে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। লেখা গুলো আবার নতুন করে লিখতে হবে সেক্ষেত্রে আবার অনেক সময়ের ব্যাপার।
Change Case ডায়ালোগ বক্সটি লক্ষ্য করুন এখানে UPPERCASE রেডিও বাটনে টিক চিহ্ন বসানো রয়েছে। আপনি যে লেখাটি বা Paragraph টি বড় হাতের করতে চান সেটি সিলেক্ট করে UPPERCASE রেডিও বাটনে টিক চিহ্ন বসিয়ে ওকে করুন সব গুলো লেখা বড় হাতের হয়ে যাবে।
Sentence Case আপনি যদি ওয়ার্ডে শুরুতে বড় হাতের অক্ষর দিতে চান তাহলে Sentence Case রেডিও বাটনে টিক চিহ্ন বসিয়ে ওকে চাপুন।
Title Case প্রতি ওয়ার্ডে শুরুতে যদি বড় হাতের অক্ষর দিতে চান তাহলে Title Case রেডিও বাটনে টিক চিহ্ন বসিয়ে ওকে করুন।
Lowercase সবগুলো লেখা যদি ছোট হাতের লিখতে চান তবে Lowercase রেডিও বাটনে টিক চিহ্ন বসিয়ে এক করুন।
Table
ডকুমেন্টে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় টেবিল এবং ছকের প্রয়োজন হয়। খুব সহজেই এম, এস, ওয়ার্ডের ভিতরে টেবিল, রো, কলাম তৈরী করা যায়। টেবিল তৈরী করার জন্য Table>Insert>Table কমান্ড দিন অথবা টেবিল টুলবার থেকে ইনসার্ট টেবিল ক্লিক করুন। উল্লেখিত ইনসার্ট টেবিল ডায়ালোগ বক্সটি চলে আসবে।
এবারে Number of columns: 6 এ টাইপ করুন অথবা ঊর্ধ্বমূখী এ্যারোতে ক্লিক করে 6 আনুন।
Number of Rows5 টাইপ করুন অথবা ঊর্ধ্বমূখী এ্যারোতে ক্লিক করে 5 আনুন।
শেষে ওকে বাটনে ক্লিক করুন। ৬ টি কলাম ও ৫ টি রো লাইন সহ একটি টেবিল তৈরী হবে-




































টেবিল তৈরী করার পর নতুন এক বা একাধিক রো বা লাইন দরকার হতে পারে।
Steps:
·                   যে Row এর উপর নতুন Row তৈরী করতে চান সেখানে কার্সর রাখুন ধরুন ৩য় রো তে কার্সর রাখলেন।
·                   মেনু থেকে Table>Insert>Rows above এ ক্লিক করুন অথবা টুলবার থেকে Insert Rows বাটনে ক্লিক করুন।
·                   ৩ নং Row তে নতুন একটি Row তৈরী হবে এবং আগের ৩ নং Row কে অবস্থান করবে।
নতুন Column যোগ করা:
একই ভাবে টেবিল তৈরী করার পর নতুন এক বা একাধিক Column প্রয়োজন হতে পারে। এবার নিচের কমান্ড গুলো লক্ষ করুন,
·                   যে Column এ নতুন Column তৈরী করতে চান সেই Column এ কার্সর রাখুন।
মেনু থেকে Table>Insert>Column to the Right এ ক্লিক করুন । ২ নং কলামে নতুন একটি কলাম তৈরী হবে এবং ২ নং কলামটি ৩ নং কলামে অবস্থান করবে।


Cell:  Row এবং Column এর মতই টেবিল তৈরীর পর Cell যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে নিচের কমান্ড গুলো লক্ষ করুন।
Steps:
·       যেখানে Cell যোগ করতে চান সেই Cell এ কার্সর রাখুন
·       মেনু থেকে Table>Insert>Cell কমান্ড দিন InsertCell  ডায়ালগ বক্স আসবে এবং Shift Cells down সিলেক্ট থাকবে।
·       Ok করুন।নতুন একটি Cell তৈরি হবে এবং অবস্হিত Row এর নিচে একটি নতুন Cell দেখা যাবে।অর্থা? কার্সর অবস্হিত Cell এ নতুন Cell যোগ হয়েছে।অন্যান্য Cell গুলো ১ টা করে Row (line) নিচে নেমে গেছে।
Delet cell ,Row & colum সেল ,রো,মুছে ফেলা
টেবিল তৈরি করার পর কোন সেল,রো,এবং কলাম অতিরিক্ত হয়ে গেলে এগুলো মুছে ফেলার দরকার হতে পারে।এজন্য যে Cell মুছতে চান সেই cell অথবা Row,colum এর উপর cell এ কার্সর রাখুন।
মেনু থেকে Table>Delet>Cell সিলেক্ট করুন।

এখন যে অপশনটি মুছতে চান সেটি সিলক্টে করে ওকে করুন।
Table এর cell-কে Marge বা সংযুক্ত করা
যে cell গুলোকে সংযুক্ত করতে চান সেগুলোকে Block/Select করুন।মাউস ড্রাগ করে অথবা কী-বোর্ড থেকে shift+Arrow কী প্রেস করুন।
মেনু থেকে Table>Marge Cells কমান্ড দিন।
লক্ষ করুন যে cell গুলো block/select করা ছিল।সেগুলো Marge হয়ে একটি সেলে পরিনত হয়েছে।
Table এর cell-কে split বা বিভক্ত করা
যে cell গুলোকে split বা বিভক্ত করতে চান সেগুলোকে Block/Select করুন।মাউস ড্রাগ করে অথবা কী-বোর্ড থেকে shift+Arrow কী প্রেস করুন।
মেনু থেকে Table>split Cells কমান্ড দিন।split cells ডায়ালগ বক্স আসবে।এখান থেকে
প্রয়োজন অনুযায়ী columns & Rows সিলেক্ট করে ok করুন।লক্ষ করুন block করা অংশটুকু ২ টি columns & ২ টি row তে বিভক্ত হয়েছে।
Colum এবং Row কে ছোট বড় করা।
যে কলাম কে ছোট বড় করতে চান তার ডানের খাড়া লাইনরে উপর মাউস পয়েন্টার রাখুন। পয়েন্টারটি ডানে বামে তীর চিহৃ সহ দ্বিমুখী তীর চিেহৃ পরিণত হবে।লাইনটি ডানে অথবা বামে ড্রাগ করে পয়েন্টার ছেড়ে দিন। কলামের প্রহ্সতা বেশী অথবা কম হবে।
----বাংলা কী-বোর্ড এর ব্যাবহার----
আসুন আমরা বাংলা লিখে ধারণা নেই।১ম এ কী-বোর্ড থেকে (Ctrl +Alt) বাটন এক সংঙ্গে চেপে রেখে B বোতামে চাপ দিতে হবে।অথবা কী-বোর্ড এর আইকন এ মাউস পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করতে হবে।অভ্র ব্যাবহার করলে F12 অথবা এ মাউস পয়েন্টার অভ্র বারে ক্লিক করে unibjioy নিতে হবে।

·       টুলবাররে Times New Roman লেখার পাশে নিম্নগামী ড্রপডাউনে ক্লিক করুন।Pull down মেনু আসবে।
·       এখান থেকে বাংলা ফন্ট sutonnyMJ সিলেক্ট করুন।
·       এখন যদি কী-বোর্ড থেকে Q বাটন চাপলে ঙ লেখা হয় তবে বুঝতে হবে আপনার কী-বোর্ডটি বাংলায় রূপান্তরিত হয়েছে।
এবারে লিখুন: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি
আমার= (Shift+F=অ, F=া, M=ম, F=া, v=র)
সোনার= (C=, N=, F=, B=, V=)
বাংলা= (H=, F=, Shift+Q=, shift+v, F=)
আমি= (shift+F=, F=া, D=ি, M=ম)
তোমায়= (C=M=ম, F=shift+w=য়)
ভালো= (shift+H=, F=, shift+v=ল, X=ো)
বাসি=(H=ব, F=া, D=ি, N=স)
এক অক্ষরের সাথে অন্য অক্ষরের যুক্ত করার জন্য G প্রেস করতে হবে।
যেমন=
ক্ত=J+G+K
ব্ব=H+G+H
ই, উ, ঋ, ও, এ ইত্যাদি অক্ষরের জন্য প্রথমে G প্রেস করে নিতে হয়।
G+D=ই, G+S=উ, G+A=ঋ, G+X=ও, G+C=এ,  ইত্যাদি।
ঈ, ঊ, ঔ, ঐ ইত্যাদি অক্ষরের জন্য প্রথমে G+shift প্রেস করে নিতে হয়।
G+shift+D=ঈ, G+shift+S=ঊ, G+shift+X=ঔ, G+shift+C=ঐ,
বাংলা টাইপের জন্য নিচের অক্ষর গুলো টাইপ করি।
ক্ব=J,G,H
ক্র=J,Z
ক্ষ=J,G,(SHIFT),N
ক্ষ্ণ=J,G,(SHIFT)N,G(SHIFT)B
গ্ধ=O,G,(SHIFT),L
গ্রু=O,Z,S
জ্জ্ব=U,G,U,G,H
ঞ্ঝ=(SHIFT)I,G(SHIFT)U
ত্ত্ব=K,G,K,G,H
ন্ট্র=B,G,T,Z
ব্জ=H,G,U
ল্ফ=(SHIFT),V,G(SHIFT)R
শ্ম=(SHIFT)M,G,M
শ্র্র্রূ=(SHIFT)M,Z(SHIFT)S
ষ্ক্র=(SHIFT)N,G,J,Z
স্খ=N,G(SHIFT)J
হৃ=I,A
ক্ত্র=J,G,K,Z
ক্ম=J,G,M
ক্স=J,G,N
ক্ষ্ম=J,G(SHIFT)N,G,M
গ্ম=O,G,M
ঘ্ন=(SHIFT)O,G,B
জ্ঝ=U,G,J,G(SHIFT)U
ঞ্ছ=(SHIFT)I,G(SHIFT)Y
ট্ম=T,G,M
ণ্ড্র=(SHIFT)B,G,E,Z
দ্রু=L,Z,S
ধ্র=(SHIFT)L,Z
ম্ফ=M,G(SHIFT)R
শ্ল=(SHIFT)M,G(SHIFT)V
শ্রু=(SHIFT)M,Z,S
ষ্ফ=(SHIFT)N,G(SHIFT)R
ষ্ম=(SHIFT)N,G,M
ক্ষ=J,G(SHIFT)N
জ্ধ=U,G(SHIFT)L
দ্ধ=L,G(SHIFT)L
   ঙ্গ=Q,G,O
ম্ম=M,G,M
হ্ম=I,G,M
শ্ব=(SHIFT)M,G,H
ষ্ণ=(SHIFT)N,G(SHIFT)B


JBD IT HOME CENTER
01745615770/01737930689


No comments:

Post a Comment

Thank you